আসা – যাওয়া পথের ধারে

” আসা – যাওয়া পথের ধারে অনেক ঘটনাই ঘটে । তার কিছু কিছু সুখের , আবার আবার কিছু কিছু ঘটনা দুঃখের । সুখের ঘটনায় তোমার অবদান থাক বা না থাক , দুঃখের ঘটনায় তোমার অবদান অবশ‍্যই আছে । তবে তা প্রত‍্যক্ষ‍্য না হয়ে পরোক্ষ ভাবেও হতে পারে । হয়তো কোনো কোনো ঘটনাকে পাশ কাটিয়ে এড়িয়ে যাই বলেই তা ঘটে । হয়তো যে ঘটনার সাথে তোমার সরাসরি কোনো যোগ নাই , তাই তুমি এড়িয়ে যাও । এই এড়িয়ে যাওয়াটাই দ্বায়িত্বহীনতা । কিন্তু এমনোতো হতেই পারে , তেমন কোনো অপ্রিতিকর ঘটনা তোমার সাথে ঘটলো । তখন তুমি চরম ভাবে বিপন্ন এবং ক্ষতিগ্রস্ত । অথচ সেই একই রকম ঘটনা যখন আগে ঘটেছিলো তখন তুমি প্রতিবাদ না করে চুপ করে ছিলে । আর তাই আজ এমন ঘটনা তোমার সাথে ঘটলো । সুতরাং কোনো অঘটন ঘটলে তার প্রতিবাদ না করলে যে ভুল তুমি কোরছো তার শাস্তি তোমাকে পেতেই হবে । তাই সময় থাকতে অন‍্যায়ের প্রতিবাদ করলে সামাজিক শান্তি শৃঙ্খলা বজায় থাকবে এবং তার ফলে তুমিও নিরাপদে থাকবে । অন্তত কিছুটা হলেও তুমি তোমার বিপদের সময় অন‍্যকেও পাশে পাবে । আবার এমনও তো হতে পারে তোমার বিপদকে অন‍্য কেউ রুখে দেবে । কেবল মাত্র স্বার্থপরের মত বাঁচলে সমাজ এবং সভ‍্যতা তোমাকে ক্ষমা করবেনা । কিছুতেই তুমি ক্ষমা পাবেনা । সুতরাং নিজের সামাজিক দ্বায়িত্বকে অবশ‍্যই পালন করতে হবে । তবেই বাঁচবে তুমি , বাঁচবে সমাজ ব‍্যবস্থা , নিরাপদ হবে দেশ । সমাজের দশ জনের দুজন খারাপ । আর বাকি আট জনের মধ‍্যে দুজন যখন অন‍্যায় দেখে চুপ করে থাকে , তখন অন‍্যায় বেড়ে চলে , আর সমাজ ব‍্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে । মনে রাখা দরকার তুমি যেমনই হও আর যেই হও তোমাকে সমাজের মধ‍্যেই বসবাস করতে হবে । আইন করে অধিকাংশ অন‍্যায় বন্ধ করা যায় না । কিন্তু সচেতন হলে এবং অন‍্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সামিল হলে অনেক অন‍্যায়কে রুখে দেয়া যায় । সুতরাং সবাই যদি প্রতিবাদি হয় কেবল মাত্র তখনই অন‍্যায়কে রুখে দেয়া যায় । — দেবাশীষ মল্লিক “

16-08-2018

Leave a Comment